৯ জুন ২০২৬

হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ‘অ্যাপাচি’ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

প্রকাশ: মঙ্গলবার, জুন ০৯, ২০২৬
হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ‘অ্যাপাচি’ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর একটি ‘অ্যাপাচি’ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। সোমবার ওই ঘটনার পর হেলিকপ্টারের দুই ক্রকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত দুজন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁদের একজন জানান, অ্যাপাচি হেলিকপ্টারটি ইরানি বাহিনীর হামলায় ভূপাতিত হয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির মুখোমুখি হয়েছিল নাকি অন্য কোনো সমস্যায় পড়েছিল— তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ নিয়ে তদন্ত চলছে।

হরমুজ ঘিরে কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলাও হয়েছে। সেই সংঘাত থামার পর এই ঘটনা ঘটল। এর মধ্যে সোমবার ইসরায়েল ও ইরান ফের সামরিক সংঘাতে জড়িয়েছে।

হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের বিষয়ে মন্তব্যের জন্য সোমবার রাতে নিউ ইয়র্ক টাইমস হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করার আগে ট্রাম্প প্রশাসনও বিষয়টি প্রকাশ করেনি। ট্রাম্পের একজন মুখপাত্রকে জিজ্ঞাসা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। এ ছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডও মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

হরমুজ প্রণালি ঘিরে অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র অ্যাপাচি হেলিকপ্টার, সশস্ত্র এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং এফ/এ-১৮ ও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে আসছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরান প্রায় ৩০টি চালকহীন রিপার ড্রোন ভূপাতিত করেছে এবং শত্রুপক্ষ ও নিজেদের বাহিনীর ভুলে বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। তবে অ্যাপাচি হেলিকপ্টার হারানোর এটিই প্রথম ঘটনা।

হেলফায়ার মিসাইলে সজ্জিত এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি গানশিপ এই অঞ্চলে নিয়োজিত অন্যতম শক্তিশালী ও কার্যকর যুদ্ধযান। ছোট নৌকার হামলা ঠেকাতে এবং ড্রোন ভূপাতিত করতে এগুলো কৌশলগত জলসীমাটিতে টহল দিয়ে আসছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আগ্রাসী অবস্থানের অংশ হিসেবে হেলিকপ্টারগুলো প্রায়শ ইরানি ভূখণ্ডের— যার মধ্যে প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা দ্বীপগুলোও রয়েছে— আরও কাছাকাছি চলে যায়।

ইরানের হামলার পর গাজার সব ক্রসিং ফের বন্ধ করল ইসরায়েল

প্রকাশ: সোমবার, জুন ০৮, ২০২৬
ইরানের হামলার পর গাজার সব ক্রসিং ফের বন্ধ করল ইসরায়েল

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যাকার দুই সীমান্ত ক্রসিং কেরেম শালম এবং রাফা বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। গাজা দেখভালের দায়িত্বে থাকা ইসরায়েলি সংস্থা দ্য কো-অর্ডিনেটর অব গভর্নমেন্ট অ্যাক্টিভিটিজ ইন দ্য টেরিটোরিজ (কোগাট) রোববার মধ্যরাতের পর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এ তথ্য।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে কয়েকটি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেসবের মধ্যে একটি হলো কেরেম শালম এবং রাফা ক্রসিং বন্ধ করা। পরবর্তী নোটিশ আসার আগ পর্যন্ত এ দুই ক্রসিং বন্ধই থাকবে।”

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস হামলা চালানোর পর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করেছিল ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। তখন থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর— দু’বছর পর্যন্ত গাজার এই দুই সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ ছিল। এ কারণে এই দুই বছর গাজায় খাদ্য, ওষুধ ও নিত্যপ্রায়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু চিকিৎসা, ওষুধ ও খাদ্যাভাবে আইডিএফের অভিযানের সময় গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।

রোববার স্থানীয় সময় মধ্যরাতে উত্তর ইসরায়েলে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের পক্ষ থেকে বলা হয়, শনিবার লেবানেনের রাজধানী বৈরুতে আইডিএফের বিমান অভিযানের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিমান অভিযান পরিচালনা করেছিল আইডিএফ। এতে ৪ শিশুসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।

সৌদিতে মিসাইল হামলার সতকর্তা, সাধারণ মানুষকে নিরাপদে থাকার নির্দেশনা

প্রকাশ: সোমবার, জুন ০৮, ২০২৬
সৌদিতে মিসাইল হামলার সতকর্তা, সাধারণ মানুষকে নিরাপদে থাকার নির্দেশনা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের পার্শ্ববর্তী আল-খার্জে সম্ভাব্য মিসাইল হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে দেশটির প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি অবস্থিত। আর এই ঘাঁটিতে রয়েছে মার্কিন সেনারা।

আল-খার্জের স্থানীয় প্রশাসন সম্ভাব্য হামলার ব্যাপারে সতর্ক করে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশনা দিয়েছে। তারা বলেছে, যতক্ষণ পর্যন্ত হুমকি অব্যাহত থাকবে ততক্ষণ সবাইকে ঘরবাড়ির বা অন্য কোনো নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।

আজ সোমবার (৮ জুন) সকালে দখলদার ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। এর আগে রাতে ইরান ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে মিসাইল ছুড়েছিল। এরমধ্যেই আবার সৌদিতে সম্ভাব্য হামলার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ইসরায়েলের হামলার পর তেহরানে শক্তিশালী বিস্ফোরণ

দখলদার ইসরায়েলের পাল্টা হামলার পর ইরানের রাজধানী তেহরানে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তেহরানের সঙ্গে আরও দুটি শহরেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড।

গতকাল রাতে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে মিসাইল হামলা চালায় ইরান। দখলদাররা লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় এই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায় তেহরান। এরপর আজ সকালে ইরানের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে হামলা চালায় ইসরায়েল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর শুরু হয় যুদ্ধ। যা টানা ৪০ দিন চলে। এরপর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি হয়। টানা প্রায় দুই মাস যুদ্ধ বন্ধ থাকার পর গতকাল রাতে ইরান প্রথমবারের মতো ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে মিসাইল ছোড়ে। এরপর ইসরায়েলও পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এখন পুরো যুদ্ধবিরতির বিষয়টি হুমকির মুখে পড়ে গেছে।

বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে, তেহরানের পাশাপাশি তাবরিজ এবং ইস্ফাহানেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

ইরানে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল

প্রকাশ: সোমবার, জুন ০৮, ২০২৬
ইরানে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল

ইরানে পাল্টা হামলা চালাল ইসরায়েল ইরান ও ইসরায়েল ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক উদ্যোগ আবারও বাধার মুখে পড়েছে। ট্রাম্পের অনুরোধ উপেক্ষা করে ইরানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইরানের হামলার জবাব হিসেবে এ হামলা চালানো হয় বলে দাবি ইসরায়েলের।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী পশ্চিম ও মধ্য ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। হামলার পর রাজধানী তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, তেহরান, তাবরিজ এবং ইসফাহানে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগে বৈরুতে হামলার প্রতিবাদে রবিবার ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।

ওই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলকে পাল্টা হামলা থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে সেই আহ্বান উপেক্ষা করেই ইরানে সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েল।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, ইসরায়েলে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান

প্রকাশ: সোমবার, জুন ০৮, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা, ইসরায়েলে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান

ইসরায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার পর উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বিমান হামলার পর এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় ইরান-সমর্থিত সংগঠন হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে ইসরায়েল দাবি করেছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়েছে। হামলার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য আরও হামলার আশঙ্কায় সেনাবাহিনীকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। তেহরানের দাবি, বৈরুতে সাম্প্রতিক হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, গত এপ্রিলে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর এই প্রথম সরাসরি ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও চাপে পড়তে পারে।

এদিকে পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেলে তা শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্বের ৩৬ দেশ নিয়ে পিউ রিসার্চের জরিপ

ইসরাইল বিরোধী মনোভাবের অন্যতম শীর্ষে বাংলাদেশ, সবচেয়ে কম ভারতে

প্রকাশ: রবিবার, জুন ০৭, ২০২৬
ইসরাইল বিরোধী মনোভাবের অন্যতম শীর্ষে বাংলাদেশ, সবচেয়ে কম ভারতে

বিশ্বজুড়ে ইসরাইলের ভাবমূর্তি এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা চরমভাবে হ্রাস পেয়েছে। বিশ্বের তিন ডজন দেশে পরিচালিত সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ দেশের সিংহভাগ মানুষ ইসরাইলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন এবং বৈশ্বিক রাজনীতিতে নেতানিয়াহুর ভূমিকার ওপর তাদের কোনো আস্থা নেই।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কর্তৃক ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর বিশ্বজুড়ে এই নেতিবাচক মনোভাব আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার পরিচালিত ‘স্প্রিং ২০২৬ গ্লোবাল অ্যাটিটিউড সার্ভে’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ মে পর্যন্ত বিশ্বের ৩৬টি দেশে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। জরিপে অংশ নেওয়া দেশগুলোর প্রাপ্ত তথ্যের গড় অনুযায়ী, প্রায় ৬৭ শতাংশ মানুষ ইসরাইলের প্রতি চরম অসন্তোষ বা নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। এর বিপরীতে মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষ দেশটির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।