১৮ জুন ২০২৬
কাতারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ডোনাল্ড ট্রাম্প!

আমিরের সঙ্গে বৈঠকে দোহার ‘সাহসিকতা’ ও মধ্যস্থতার ভূয়সী প্রশংসা

প্রকাশ: বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬
আমিরের সঙ্গে বৈঠকে দোহার ‘সাহসিকতা’ ও মধ্যস্থতার ভূয়সী প্রশংসা
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সাথে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ফ্রান্সে চলমান জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুই নেতাই মার্কিন-ইরান চুক্তি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক ও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশেষ করে তিনি নিজে পাশে না থাকলে আজ ইসরাইলের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত, তবে ইসরাইল পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যেত উল্লেখ করে ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে মাত্র দুই সপ্তাহ দূরে ছিল। তবে চলমান যুদ্ধ ইরানের পূর্ববর্তী নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে দাবি করে ট্রাম্প বলেন, ইরানে এখন একটি যৌক্তিক ও বুদ্ধিমান নেতৃত্ব রয়েছে।

নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্পের ক্ষোভ ও সিরিয়াকে নিয়ে নতুন পরামর্শ

লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ভূমিকার সমালোচনা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘লেবাননের ব্যাপারে নেতানিয়াহুকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।’ ইরানের সাথে চুক্তি ঘোষণার ঠিক আগমুহূর্তে বৈরুতে ইসরাইলি বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বৈরুতে হামলাটি একেবারেই পছন্দ করিনি এবং আমি তাঁদের (ইসরাইল) সেটা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছি।’

লেবানন পরিস্থিতিকে একটি ‘ছোটখাটো যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প ইসরাইলকে একটি অদ্ভুত পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘আমি ইসরাইলকে পরামর্শ দিয়েছি যেন হিজবুল্লাহর বিষয়টি সিরিয়ার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, কারণ তারা এই কাজটি আরও ভালোভাবে করতে পারবে।’

কাতারের প্রশংসা ও আমিরের প্রতিক্রিয়া

বৈঠকে কাতারের ‘সাহসিকতা’ এবং মধ্যস্থতার ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘কাতার যেভাবে পুরো পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে, তাতে আমরা অত্যন্ত মুগ্ধ। তারা অত্যন্ত শক্ত ও দৃঢ় অবস্থান দেখিয়েছে।’

অন্যদিকে, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এই মার্কিন-ইরান চুক্তিকে এই অঞ্চলের জন্য একটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন। ট্রাম্পের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি। এখনও অনেক কাজ বাকি আছে, তবে এই গতি যদি বজায় থাকে, তবে আমরা এই অঞ্চলে দারুণ কিছু অর্জন করতে পারব।’

কাতারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ডোনাল্ড ট্রাম্প!

আমিরের সঙ্গে বৈঠকে দোহার ‘সাহসিকতা’ ও মধ্যস্থতার ভূয়সী প্রশংসা

প্রকাশ: বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬
আমিরের সঙ্গে বৈঠকে দোহার ‘সাহসিকতা’ ও মধ্যস্থতার ভূয়সী প্রশংসা
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সাথে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ফ্রান্সে চলমান জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুই নেতাই মার্কিন-ইরান চুক্তি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক ও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশেষ করে তিনি নিজে পাশে না থাকলে আজ ইসরাইলের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত, তবে ইসরাইল পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যেত উল্লেখ করে ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে মাত্র দুই সপ্তাহ দূরে ছিল। তবে চলমান যুদ্ধ ইরানের পূর্ববর্তী নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে দাবি করে ট্রাম্প বলেন, ইরানে এখন একটি যৌক্তিক ও বুদ্ধিমান নেতৃত্ব রয়েছে।

নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্পের ক্ষোভ ও সিরিয়াকে নিয়ে নতুন পরামর্শ

লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ভূমিকার সমালোচনা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘লেবাননের ব্যাপারে নেতানিয়াহুকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।’ ইরানের সাথে চুক্তি ঘোষণার ঠিক আগমুহূর্তে বৈরুতে ইসরাইলি বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বৈরুতে হামলাটি একেবারেই পছন্দ করিনি এবং আমি তাঁদের (ইসরাইল) সেটা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছি।’

লেবানন পরিস্থিতিকে একটি ‘ছোটখাটো যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প ইসরাইলকে একটি অদ্ভুত পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘আমি ইসরাইলকে পরামর্শ দিয়েছি যেন হিজবুল্লাহর বিষয়টি সিরিয়ার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, কারণ তারা এই কাজটি আরও ভালোভাবে করতে পারবে।’

কাতারের প্রশংসা ও আমিরের প্রতিক্রিয়া

বৈঠকে কাতারের ‘সাহসিকতা’ এবং মধ্যস্থতার ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘কাতার যেভাবে পুরো পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে, তাতে আমরা অত্যন্ত মুগ্ধ। তারা অত্যন্ত শক্ত ও দৃঢ় অবস্থান দেখিয়েছে।’

অন্যদিকে, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এই মার্কিন-ইরান চুক্তিকে এই অঞ্চলের জন্য একটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন। ট্রাম্পের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি। এখনও অনেক কাজ বাকি আছে, তবে এই গতি যদি বজায় থাকে, তবে আমরা এই অঞ্চলে দারুণ কিছু অর্জন করতে পারব।’

‘ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সহায়তায় সবসময় পাশে থাকবে কাতার’

প্রকাশ: বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬
‘ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সহায়তায় সবসময় পাশে থাকবে কাতার’
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সাথে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বলেছেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি ইরানের জন্যও সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

ইরানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে কাতার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় সক্রিয় রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে হামলার পর থেকে বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগে দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে এক যৌথ ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে শেখ তামিম বলেন, যখনই আমাদের বন্ধু ও অংশীদাররা সহযোগিতা চায়, কাতার তাদের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত থাকে।

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, চলমান সংকট নিরসনে সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিকল্প নেই এবং কাতার এ ধরনের উদ্যোগে ভবিষ্যতেও সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

এছাড়াও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগের মতো স্থিতিশীল পরিস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে কাতার। আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাতার তার কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে এবং সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাতার এখনও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা বজায় রেখে চুক্তির সব শর্ত কার্যকর করতে দেশটি কাজ করে যাচ্ছে।

তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকার পরও গাজায় গণহত্যা পুরোপুরি থামেনি। গত বছরের অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতা হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এই পরিস্থিতি অঞ্চলটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও কঠিন করে তুলছে।

শান্তি চুক্তির আগে দোহায় বৈঠক করবে ওয়াশিংটন-তেহরান

প্রকাশ: সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬
শান্তি চুক্তির আগে দোহায় বৈঠক করবে ওয়াশিংটন-তেহরান

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি শান্তি চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান চলতি সপ্তাহে দোহায় পরোক্ষ বৈঠক করবে বলে এক কূটনীতিক।

সোমবার (১৫ জুন) এএফপিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কূটনীতিক বলেন, সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর এবং কারিগরি আলোচনা শুরুর আগে চলতি সপ্তাহে দোহায় উভয় পক্ষের সঙ্গে পৃথক প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্রটি আরও জানায়, রবিবার শুরু হওয়া এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া ১৭ ঘণ্টার নিবিড় আলোচনার পর কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা তেহরান ছেড়ে গেছেন। যদিও চুক্তির বিস্তারিত বিবরণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো যায়নি।

কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় প্রধান মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পরে আলোচনা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিটিকে ‘শান্তির পথে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তুরস্ক, ইরাকি এবং মিশরীয় সমকক্ষদের বলেছেন। তিনি লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি হামলা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে এবং যুদ্ধ শেষ করার কাঠামো চুক্তি বাস্তবায়নের দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি চুক্তি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি হরমুজ প্রণালীতে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির ওপর ইরানের দখলের প্রতিশোধ হিসেবে এই অবরোধ আরোপ করা হয়েছিল।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, সবাইকে অভিনন্দন। আমি হরমুজ প্রণালী টোলমুক্তভাবে খুলে দেওয়ার পূর্ণ অনুমোদন দিচ্ছি এবং একই সঙ্গে মার্কিন নৌ অবরোধ অবিলম্বে তুলে নেওয়ারও অনুমোদন দিচ্ছি।

যুদ্ধের মাঝেই গোপন মিশন;

হরমুজ পার হলো কাতারের ২ মেগা এলএনজি ট্যাংকার

প্রকাশ: শুক্রবার, জুন ১২, ২০২৬
হরমুজ পার হলো কাতারের ২ মেগা এলএনজি ট্যাংকার

এশিয়ার বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রারত তিনটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। জাহাজগুলোর ট্রান্সপন্ডার (অবস্থান শনাক্তকারী ব্যবস্থা) বন্ধ ছিল বলে জাহাজ-ট্র্যাকিং তথ্য থেকে জানা গেছে।

রয়টার্সের দেখা এলএসইজি ও কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, কাতারএনার্জি নিয়ন্ত্রিত লেব্রেথাহ ও রাশিদা নামের দুটি ট্যাংকারকে সর্বশেষ যথাক্রমে ১ জুন ও ৩০ এপ্রিল হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে দেখা গিয়েছিল। উভয় জাহাজই কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজি বোঝাই করেছিল।
পরবর্তীতে ১০ জুন জাহাজ দুটি আবার ট্র্যাকিং তথ্যের আওতায় আসে। ২২ মে এলএনজি বোঝাই করা লেব্রেথাহ বর্তমানে পাকিস্তানের দিকে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এলএনজি বহনকারী রাশিদা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। খবর আল জাজিরার।
তৃতীয় এলএনজি ট্যাংকার ম্যারিগোল্ড, যা আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত, সেটিও ১০ জুন ট্র্যাকিং তথ্যের আওতায় ফিরে আসে। জাহাজটি ভারতের দিকে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লেব্রেথাহ, রাশিদা ও ম্যারিগোল্ডসহ মোট ১২টি এলএনজি কার্গো হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে বেরিয়ে গেছে। জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে ট্যাংকার চলাচল অব্যাহত থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন শুরু করেছে কাতারি বাহিনী

প্রকাশ: শুক্রবার, জুন ১২, ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে শুরু হওয়া ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে কাতারি নিরাপত্তা বাহিনী। টুর্নামেন্টের জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামোর অধীনে কাজ করতে ইতিমধ্যেই তারা আয়োজক দেশগুলোতে এসে পৌঁছেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ও মেগা ক্রীড়া ইভেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় কাতারি নিরাপত্তা কর্মীদের যোগ্যতা এবং তাদের উন্নত দক্ষতার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর আস্থারই প্রতিফলন এই অংশগ্রহণ। ২০২২ সালে সফলভাবে কাতার বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক ক্রীড়া ইভেন্টের নিরাপত্তা রক্ষায় যে আন্তর্জাতিক অবস্থান তৈরি হয়েছে, তা এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হলো।

এই বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী উত্তর আমেরিকার আয়োজক দেশগুলোর স্থানীয় নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি সমন্বয় করে কাজ করবে। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড ও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করে বিশ্বজুড়ে আসা ফুটবল ভক্ত ও দলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য।