১১ জুন ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

শাকিরাকে দিয়ে শুরু, লিসার পারফরম্যান্সে শেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

প্রকাশ: বুধবার, জুন ১০, ২০২৬
শাকিরাকে দিয়ে শুরু, লিসার পারফরম্যান্সে শেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
ল্যাটিন পপ তারকা শাকিরা ও ব্ল্যাকপিংক ব্যান্ডের লিসা। ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহাসিক হতে চলেছে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ। প্রথমবারের মতো তিনটি ভিন্ন দেশে তিনটি জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠতে যাচ্ছে এই টুর্নামেন্টের।

মেক্সিকো, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র এই তিন আয়োজক দেশের তিনটি ভিন্ন স্টেডিয়ামে ফুটবলপ্রেমীরা উপভোগ করবেন সংস্কৃতির এক দারুণ মেলবন্ধন ও বৈশ্বিক তারকাদের চোখ ধাঁধানো পরিবেশনা। প্রতিটি আয়োজক দেশের নিজস্ব উদ্বোধনী ম্যাচের ঠিক ৯০ মিনিট আগে এই অনুষ্ঠানগুলো শুরু হবে।


বিশ্বকাপের এই উদ্বোধনী ত্রয়ীর সূচনা হচ্ছে আগামী ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আসতেকাতে।

বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হতে যাওয়া এই প্রথম অনুষ্ঠানে ল্যাটিন পপ তারকা শাকিরা এবং নাইজেরিয়ান আফ্রোবিটস শিল্পী বার্না বয় যৌথভাবে এবারের আসরের অফিশিয়াল থিম সং ‘দাই দাই’ পরিবেশন করবেন। মেক্সিকোর ঐতিহ্য ও আধুনিক ল্যাটিন সুরের মিশেলে সাজানো এই অনুষ্ঠানে আরও থাকছেন জে বালভিন এবং পপ ব্যান্ড মানার মতো জনপ্রিয় তারকারা।


পর দিন শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে কানাডার টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় উদ্বোধনী আয়োজন। কানাডিয়ান সংস্কৃতির বৈচিত্র্য তুলে ধরতে এই মঞ্চে পারফর্ম করবেন মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেট এবং আলিসিয়া কারার মতো বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পীরা।

সবশেষে শনিবার (১৩ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে বসবে উদ্বোধনী ত্রয়ীর শেষ আসর। হলিউড ঘরানার এই চোখ ধাঁধানো আয়োজনে মঞ্চ মাতাবেন ক্যাটি পেরি, ব্ল্যাকপিংক ব্যান্ডের লিসা, ফিউচার এবং অ্যানিত্তার মতো জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক তারকারা।

পুরো টুর্নামেন্টের এই উদ্বোধনী পর্বগুলোর মূল থিম তৈরি করা হয়েছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফিকে কেন্দ্র করে, যা প্রতিটি দেশের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হবে। বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবল অনুরাগী টেলিভিশনের পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে এই জমকালো আয়োজন সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন।

নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, অভিযোগ প্রমাণে হতে পারে কোন সাজা?

প্রকাশ: বুধবার, জুন ১০, ২০২৬
নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, অভিযোগ প্রমাণে হতে পারে কোন সাজা?
ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বিচারিক প্রক্রিয়া চলার পর আজ ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ মামলার রায় দেবেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা তাম্মির সঙ্গে রাকিব হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বাদীর দাবি, ওই বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগতভাবে শেষ হওয়ার আগেই ২০২১ সালে ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন তামিমা। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন রাকিব হোসেন।

তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা। তাদের দাবি, আগের বৈবাহিক সম্পর্ক আইন অনুযায়ী শেষ হওয়ার পরই তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান ইসরাত হাসান বলেন, আমরা চাই, আসামিদের শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মামলার বিচার চলেছে। বিভিন্ন বিষয় চ্যালেঞ্জ করে তারা উচ্চ আদালতে রিভিশন করেছে। ১০ জন সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে আশা করছি। নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে দুই ধারায় ও তামিমার বিরুদ্ধে তিন ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ সাত বছর ও তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, আমাদের আশা পজিটিভ। আসামিরা খালাস পাবেন আশা করছি। তারা কেন খালাস পাবেন যুক্তিতর্কে তুলে ধরেছি।

রায় শুনতে নাসির-তামিমা আদালতে আসবেন কি না জানতে চাইলে বলেন, আশা করি, আসবেন।

মামলার বাদী রাকিব বলেন, ইনশাআল্লাহ, ন্যায় বিচার হোক। এ ধরনের কাজ যেন আর না হয়। রায়ের মাধ্যমে একটা ম্যানেজ যাক সমাজে। আমার সাথে যেমনটা ঘটেছে, যেন আর কারও সঙ্গে এমনটা না হয়।

এ বিষয়ে নাসির হোসেনের বক্তব্য শুনতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

তৃতীয় বিয়ের খবর নিশ্চিত করলেন আমির খান

প্রকাশ: শনিবার, জুন ০৬, ২০২৬
তৃতীয় বিয়ের খবর নিশ্চিত করলেন আমির খান

তৃতীয় বিয়ের খবর নিয়ে গতকাল থেকেই তুমুল আলোচনায় ছিলেন বলিউড সুপারস্টার আমির খান। ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ৫ জুলাই প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন তিনি। একদিন পর সেই খবরে সিলমোহর দিলেন অভিনেতা। জানালেন, গৌরী স্প্র্যাটকে আগামী ৫ জুলাই বিয়ে করতে যাচ্ছেন তিনি।

ভারাইটি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেন, ‘আমি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে আছি। বিয়ের খবরটি সত্যি। আগামী ৫ জুলাই আমাদের বিয়ে হবে।’

জানা গেছে, পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে একান্ত ব্যক্তিগত আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে এই বিয়ে। আমিরের তৃতীয় বিয়ের খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা।

গত বছর নিজের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো গৌরী স্প্র্যাটকে পরিচয় করিয়ে দেন আমির খান। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁদের পরিচয় নতুন নয়। প্রায় ২৫ বছর আগে প্রথম পরিচয় হয়েছিল। দীর্ঘ সময় যোগাযোগ না থাকলেও প্রায় দেড় বছর আগে আবার তাঁদের যোগাযোগ শুরু হয়। সেই বন্ধুত্বই ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।

গৌরী স্প্র্যাটের বেড়ে ওঠা মূলত বেঙ্গালুরুতেই। তার মা রিটা স্প্র্যাট শহরের পরিচিত এক সেলুন ব্যবসায়ী ছিলেন। গৌরীর শিক্ষাজীবনের একটি অংশ কেটেছে ব্লু মাউন্টেন স্কুলে। পরে তিনি ইউনিভার্সিটি অব আর্টস লন্ডন থেকে ফ্যাশন স্টাইলিং ও ফটোগ্রাফি বিষয়ে পড়াশোনা করেন। গৌরী স্প্র্যাট এর আগে বিয়ে করেছিলেন।সেই সংসারের সাত বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমির খান জানান, গৌরী তার জীবনে আসার পর তিনি মানসিকভাবে অনেক শান্তি খুঁজে পেয়েছেন।

অভিনেতা বলেন, ‘আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি যে গৌরীর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে। তার সঙ্গে থাকলে আমি অনেক শান্তি অনুভব করি। কিরণ ও রীনার সঙ্গেও আমার গভীর সম্পর্ক ছিল, কিন্তু সেগুলো শেষ পর্যন্ত টেকেনি। গৌরী আমার জীবনে আসায় আমি নিজেকে আশীর্বাদপুষ্ট মনে করি। আমরা একসঙ্গে খুব ভালো আছি।’

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে শৈশবের বন্ধু রীনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন আমির খান। ১৬ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০০২ সালে বিচ্ছেদ হয় তাদের। তাদের সংসারে জন্ম নেয় ছেলে জুনাইদ খান এবং মেয়ে ইরা খান।

এরপর ২০০৫ সালে চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। ‘লগান’ সিনেমা শুটিংয়ের সময় তাদের পরিচয় হয়েছিল। ২০২১ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেও ছেলে আজাদের দায়িত্ব এখনও যৌথভাবেই পালন করছেন তারা।

কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব- বুবলী

প্রকাশ: শনিবার, জুন ০৬, ২০২৬
কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব- বুবলী

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সুখবরটি নিজেই জানালেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম বুবলী। মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর পরিবারে এসেছে নতুন সদস্য। কন্যাসন্তানের বাবা-মা হয়েছেন এই তারকা জুটি।

শুক্রবার (৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে একটি যৌথ পোস্টের মাধ্যমে খবরটি প্রকাশ করেন বুবলী। একই সঙ্গে প্রকাশ করা হয় নবজাতক কন্যার একটি বিশেষ শুভেচ্ছা কার্ড। সেখান থেকে জানা যায়, গত ১১ মে তাদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছে। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে শারলিন খান।

প্রকাশিত কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও শবনম বুবলীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসার পরপরই ভক্ত-অনুরাগী ও সহকর্মীদের শুভেচ্ছায় ভরে ওঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

পোস্টে বুবলী লিখেছেন, `আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।'

এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের নানা আলোচনা ও গুঞ্জনেরও অবসান ঘটেছে। এর আগে তাদের ব্যক্তিজীবন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হলেও কন্যাসন্তানের বিষয়টি গোপনই রেখেছিলেন তারা।

শাকিব খান ও বুবলীর সংসারে এর আগে পুত্রসন্তান শেখ বীর রয়েছে। এবার কন্যাসন্তান শারলিন খানের আগমনে তাদের পরিবারে যুক্ত হলো নতুন আনন্দের উপলক্ষ। স্বাভাবিকভাবেই প্রিয় তারকাদের এই সুখবরকে স্বাগত জানিয়েছেন ভক্তরা। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নবজাতকের সুস্থতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।